সংবাদ শিরোনামঃ
শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় বেড়িবাঁধ রক্ষায় কঠোর অভিযানে চেয়ারম্যান  দেবহাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস যথাযথ ভাবে উদযাপন  দেবহাটা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ আটুলিয়ায় ভিক্ষুকসহ তিন অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, এলাকায় ক্ষোভ সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় মৎস্যঘেরে ডাকাতিতে বাধা দেওয়ায় কুপিয়ে জখম। দেবহাটায় ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক সুন্দরবনে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা বন্য শুকর উদ্ধার, বনবিভাগের অভিযানে অবমুক্ত পলাতক আসামী ফরিদকে আটক করেছে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ         কালিগঞ্জে এডিবি’র বরাদ্ধে সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ কালিগঞ্জ উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে
হাদি হত্যার অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

হাদি হত্যার অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীর পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার

আল-হুদা মালী শ্যামনগর প্রতিনিধি: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

রোববার (৮ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোপন সূত্র মারফত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ খবর পায়, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধ করার পর দুইজন বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে সুযোগ পেলে পুনরায় বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারে।

এ তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এসটিএফ একটি অভিযান পরিচালনা করে এবং দুইজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। তারা হলেন-রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭), বাড়ি পটুয়াখালী, বাংলাদেশ এবং আলমগীর হোসেন (৩৪), বাড়ি ঢাকা, বাংলাদেশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ওই বিবৃতে বলা হয়, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে খুন করে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর থেকে তারা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে ছিল। সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সম্প্রতি বনগাঁ এলাকায় আসে।

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে বনগাঁ এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে এসটিএফ থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের উপযুক্ত আদালতে পেশ করা হয়েছে। আসামিদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চলছে।

পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পুলিশ সূত্র ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বনগাঁয় গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তাদের গ্রেপ্তার হয়। গতকাল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কেবল সেটা স্বীকার করেছে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *